দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই তিনি সরকারি কর্মকর্তা ও সাবেক রাজনৈতিক নেতাদের সম্পদের হিসাব তদন্তে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। এই পদক্ষেপকে নেপালের রাজনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও অনিয়মে হতাশ সাধারণ মানুষ নতুন সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে।
বালেন্দ্র শাহ সরকারের ঘোষিত ১০০ দফা সংস্কার পরিকল্পনায় সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রভাব কমানো, দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করা, নারীদের নিরাপদ গণপরিবহন নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনে জবাবদিহিতা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে জনগণের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
শুধু অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন নয়, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারেও সক্রিয় হয়েছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েও তিনি আলোচনায় রয়েছেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একজন তরুণ, প্রযুক্তিবান্ধব ও সংস্কারমুখী নেতা হিসেবে বালেন্দ্র শাহ ইতোমধ্যেই নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাত্র ১৩ দিনের কার্যক্রমই ইঙ্গিত দিচ্ছে—নেপাল নতুন এক রাজনৈতিক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা, এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে বালেন্দ্র শাহ নেপালকে আরও উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নেবেন।

TechBeat